আমাদের যাত্রা ও প্রতিষ্ঠার ইতিকথা
পিরিয়ড সচেতনতা ও ট্যাবু ভাঙার একটি ছোট্ট স্বপ্ন যেভাবে প্রযুক্তিনির্ভর এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একটি প্ল্যাটফর্মে রূপ নিল, যা হাজারো নারীর জীবনকে সহজ করছে।
আমাদের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ
একটি সুনির্দিষ্ট আইডিয়া থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ একটি সামাজিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার মাইলফলকসমূহ।
ভাবনার শুরু ও আত্মপ্রকাশ
স্কুল, কলেজ ও পোশাক শিল্প কারখানায় নারীদের পিরিয়ডকালীন সময়ে জরুরি স্যানিটারি ন্যাপকিন পাওয়ার সংকটটি অনুধাবন করা। নারীদের স্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা থেকেই জ্যোতির জন্ম।
আইওটি (IoT) প্রযুক্তির সংযোজন
ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) ক্লাউড-কানেক্টেড স্মার্ট হার্ডওয়্যারের উদ্ভাবন ও সফল সংযোজন। আমরা এমন স্বয়ংক্রিয় ভেন্ডিং মেশিন তৈরি করেছি যা দূরবর্তী ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশেও সফলভাবে ইনস্ট্যান্ট সেবা দিতে সক্ষম।
জাতীয় পরিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিস্তৃতি
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পোশাক কারখানায় জ্যোতির মেশিন স্থাপন। বেসিস (BASIS), ডিএনসিসি (DNCC) এবং সরকারের স্টার্টআপ প্রজেক্টের কাছ থেকে অর্জিত প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি আমাদের এই যাত্রাকে করেছে আরও বেগবান।
আমাদের মূল চালিকাশক্তি
সহানুভূতিশীল প্রযুক্তি
আমরা প্রযুক্তি শুধু দক্ষতার জন্য বানাই না, বরং প্রতিটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করি।
সামাজিক সমতা
কর্মক্ষেত্র এবং ক্যাম্পাসগুলোকে নারী-বান্ধব ও ডিজিটাল প্রযুক্তিসমৃদ্ধ করে তোলার মাধ্যমে জেন্ডার বৈষম্য দূর করা।
স্বয়ংক্রিয় সেবা
সাপ্লাই চেইনের জটিলতা দূর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, যাতে যেকোনো জরুরি মুহূর্তে সেবা পেতে কোনো বাধা না থাকে।

