মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহজ করতে জ্যোতি নতুন দুটি স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করেছে। এই 'জ্যোতি লাইট' মেশিন দুটি, দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বসেছে। একটি হলো কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যটি রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মাধ্যমে, উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলের ছাত্রীরা সহজেই জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।



এই মহৎ উদ্যোগটির সৌজন্যে রয়েছে ফ্রেশ অনন্যা। জ্যোতি স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন দুটিতে ‘অনন্যা হেভি ফ্লো’ প্যাড সরবরাহ করা হয়েছে। ছাত্রীরা তাদের সুবিধা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিঙ্গেল প্যাকেট বা ফুল প্যাকেট, উভয়ই কিনতে পারবেন।
জ্যোতি ও অনন্যা ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ছাড়মূল্যের ব্যবস্থা করেছে। ফলে, তারা সাশ্রয়ী মূল্যে এই প্যাডগুলো সংগ্রহ করতে পারছেন। শুধু তাই নয়, পেমেন্ট পদ্ধতিও অত্যন্ত আধুনিক ও সহজ। ব্যবহারকারীরা খুব সহজে বিকাশের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারেন। পেমেন্টের সাথে সাথেই মেশিন থেকে প্যাড বেরিয়ে আসে। এই ডিজিটাল সেবাটি ছাত্রীদের জীবনযাত্রা সহজ করার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকছে।
জ্যোতির সমন্বিত সেবা ও প্রযুক্তি
জ্যোতি কেবল মেশিন স্থাপন করেই দায়িত্ব শেষ করছে না। তারা একটি পূর্ণাঙ্গ সেবা নিশ্চিত করছে।
১. স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা: এই ‘জ্যোতি প্রো+’ মেশিনগুলো সাধারণ ভেন্ডিং মেশিনের মতো নয়। এগুলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) প্রযুক্তিসম্পন্ন। প্রতিটি মেশিন একটি কেন্দ্রীয় ক্লাউড সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
২. নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ: মেশিনে প্যাডের সংখ্যা কমে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্যোতির সাপোর্ট টিমের কাছে বার্তা চলে যায়। ফলে, প্যাড শেষ হওয়ার আগেই তা পুনরায় ভর্তি করা হয়। জ্যোতির দক্ষ টিম মেশিনগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরবচ্ছিন্ন প্যাড সরবরাহ (রিপ্লেনিশমেন্ট) নিশ্চিত করে। এর মাধ্যমে ছাত্রীরা সবসময় মেশিনে প্যাড পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়।
৩. মেশিনের কার্যক্ষমতা: প্রতিটি জ্যোতি লাইট মেশিন একসাথে ১৫০টি প্যাড ধারণ করতে পারে। বর্তমানে, ছাত্রীদের সুবিধার জন্য এখানে বেল্ট এবং প্যান্টি সিস্টেম—উভয় প্রকার প্যাডই সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে।
জ্যোতি বিশ্বাস করে—সঠিক দিকনির্দেশনা একটি মেয়ের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। তাই জ্যোতি সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে, যেন প্রতিটি মেয়েই নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ মাসিক স্বাস্থ্য সুবিধা পায়।

